হজমশক্তি বৃদ্ধি থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোসহ আনারসের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এই ফলটি ভিটামিন সি, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি সমৃদ্ধ উৎস। এটি ক্যান্সার প্রতিরোধের পাশাপাশি ত্বকের মান উন্নত করতেও সহায়ক।
আনারসের সবচেয়ে বড় উপকারিতা হলো এটি শরীরের দৈনন্দিন কার্যকলাপের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজে পরিপূর্ণ। এক কাপ আনারস দৈনিক চাহিদার প্রায় ৮৮ শতাংশ ভিটামিন সি এবং ১০৯ শতাংশ ম্যাঙ্গানিজ সরবরাহ করে। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্সেস-এ প্রকাশিত গবেষণা অনুসারে, আনারসে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ফাইবার, পটাসিয়াম এবং ক্যালসিয়ামও রয়েছে।
আনারসের অন্যতম প্রধান উপকারিতা হলো এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস, অর্থাৎ শরীরে ফ্রি র্যাডিকেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভারসাম্যহীনতাকে দূরে রাখে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের কারণে শরীরে প্রদাহ, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। আনারসে ফ্ল্যাভোনয়েড এবং ফেনল রয়েছে। নিউট্রিশন অ্যান্ড মেটাবলিজম-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, আনারস খেলে হৃদপিণ্ডের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং প্রদাহ কমে।
আনারসের হজমে সাহায্য করতে পারে, কারণ এতে ব্রোমেলেইন নামক হজমকারী এনজাইম রয়েছে। এছাড়াও, আনারসে থাকা খনিজ এবং ভিটামিনের পরিমাণ একটি সুষম খাদ্যতালিকা বজায় রাখতে সাহায্য করে। আনারস ওজন কমাতেও সাহায্য করতে পারে।
আনারস ফাইবারের একটি সমৃদ্ধ উৎস। ‘নিউট্রিয়েন্টস’ জার্নালের একটি গবেষণা অনুসারে, আনারস দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসাতেও ভালো কাজ করে।

